![]() |
দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পিছিয়ে যাওয়ার আর সুযোগ নেই বলেছেন অধ্যাপক রইছ উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখান থেকে একচুল সরব না। আমাদের রক্তের ওপরে প্রতিষ্ঠিত যে সরকার যদি চোখ রাঙিয়ে কথা বলে, হুমকি-হুমকি-ধামকি দেয়, যদি স্টিম রোলার চালানোর প্রচেষ্টা করে তাহলে সেটাকে রুখে দেব। এ আন্দোলন তখন কাকরাইল পয়েন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটা কোথায় যাবে, জানি না, এর দায়দায়িত্ব আমরা নেব না।’সমাবেশে যোগ দিতে পর্যায়ক্রমে বাসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আসছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মৎস্য ভবন থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, জুমার নামাজের পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে গণ–অনশনে বসবেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেখা যায়, অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী রাস্তায় বসে স্লোগান দিচ্ছেন। মোড়ে থাকা বেশির ভাগ শিক্ষার্থী সারা রাত ওই জায়গাটিতে অবস্থান নিয়ে আছেন বলে জানান। এ সময় শিক্ষার্থীদের থেমে থেমে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা, ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘মানি নারে মানি না, বৈষম্য মানি না’ প্রভৃতি স্লোগান দিচ্ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে সেখানে কিছু শিক্ষকদের এসে যোগ দিতে দেখা গেছে। সকাল সোয়া ১০টার কিছু পরে সেখানে একটি বাসে শিক্ষার্থীরা এসে পৌঁছান। সাড়ে ১০টার দিকে আরেকটি বাস এসে পৌঁছায়।
![]() |
দাবি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পিছিয়ে যাওয়ার আর সুযোগ নেই বলেছেন অধ্যাপক রইছ উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখান থেকে একচুল সরব না। আমাদের রক্তের ওপরে প্রতিষ্ঠিত যে সরকার যদি চোখ রাঙিয়ে কথা বলে, হুমকি-হুমকি-ধামকি দেয়, যদি স্টিম রোলার চালানোর প্রচেষ্টা করে তাহলে সেটাকে রুখে দেব। এ আন্দোলন তখন কাকরাইল পয়েন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটা কোথায় যাবে, জানি না, এর দায়দায়িত্ব আমরা নেব না।’
সমাবেশে যোগ দিতে পর্যায়ক্রমে বাসে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আসছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মৎস্য ভবন থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, জুমার নামাজের পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে গণ–অনশনে বসবেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দেখা যায়, অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী রাস্তায় বসে স্লোগান দিচ্ছেন। মোড়ে থাকা বেশির ভাগ শিক্ষার্থী সারা রাত ওই জায়গাটিতে অবস্থান নিয়ে আছেন বলে জানান। এ সময় শিক্ষার্থীদের থেমে থেমে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা, ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘মানি নারে মানি না, বৈষম্য মানি না’ প্রভৃতি স্লোগান দিচ্ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে সেখানে কিছু শিক্ষকদের এসে যোগ দিতে দেখা গেছে। সকাল সোয়া ১০টার কিছু পরে সেখানে একটি বাসে শিক্ষার্থীরা এসে পৌঁছান। সাড়ে ১০টার দিকে আরেকটি বাস এসে পৌঁছায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ বর্ষের শিক্ষার্থী আতাউল্লাহ আল আহাদ সকাল ১০টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রথমে জড়ো হয়েছেন। পরে সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে সবাই কাকরাইলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তাঁরা পৌঁছানোর পরই সমাবেশ শুরু করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইছ উদ্দীন গণ–অনশন কর্মসূচি ও সমাবেশের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচিও চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।



