বি এন পি, নেতাদের ছায়া তলে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস। আতঙ্কে গ্রামের সাধারণ মানুষ।
যশোর প্রতিনিধি | নিউজ ডেক্স। তারিখ: ২৬ শে জুন ২০২৫ সময়:৭:৩০
 |
| ছবি: ফাইল ফুটেজ |
যশোর জেলার ১২ নং ফতেপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড এর রাজনীতিতে সম্প্রতি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে স্থানীয় বিএনপি যুবদলের দুই নেতার কার্যক্রম। ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক এ কে এম ফরিদুজ্জামান আপু এবং ৮ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আবু হানিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে চলেছেন এবং দলীয় আদর্শ বিসর্জন দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ কে এম ফরিদুজ্জামান আপু দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় এবং যুবদলের একজন দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যাচ্ছে। তিনি এলাকার একটি বিদ্যালয়—শুকদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়—এও প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অপরদিকে, আবু হানিফ, যিনি ৮ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি, তাকেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের লালন-পালন করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। বিএনপির একাধিক স্থানীয় কর্মী মনে করছেন, এই ধরণের আচরণ দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
 |
| ছবি: ফাইল ফুটেজ |
স্থানীয় এক বিএনপি কর্মীর ভাষ্যমতে, “আমরা মাঠে কাজ করছি দলকে শক্তিশালী করতে, কিন্তু কিছু নেতা নিজেদের স্বার্থে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের লোকদের সাপোর্ট করছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এ বিষয়ে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় বা জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এখনও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “এই ধরণের দ্বিমুখী রাজনীতি কোনো দলের জন্যই ভালো বার্তা বহন করে না। দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে এইসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
এদিকে, এ কে এম ফরিদুজ্জামান আপু ও আবু হানিফের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।
সংবাদ বিশ্লেষণ!
এই ধরণের ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নয়, গোটা রাজনীতির কাঠামোকে দুর্বল করে। রাজনৈতিক আদর্শে অনড় থাকা এবং দলের মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলার মূল ভিত্তি।