![]() |
| ছবি: নেট থেকে সংগ্রহীত |
শায়েখ ইবনু উসাইমীন বলেন :
وأما استصحاب الرجل ما ابتلي به المسلمون اليوم من الدراهم التي عليها صور الملوك والرؤساء فهذا أمر قديم، وقد تكلم عليه أهل العلم، ولقد كان الناس هنا يحملون الجنيه الفرنجي وفيه صورة فرس وفارس، ويحملون الريال الفرنسي وفيه صورة رأس ورقبة وطير. والذي نرى في هذا أنه لا إثم على من استصحبه لدعاء الحاجة إلى حمله؛ إذ الإنسان لا بد له من حمل شيء من الدراهم في جيبه ومنع الناس من ذلك فيه حرج وتعسير.
আর বর্তমানে মুসলিমরা যে সকল বাদশাহ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ছবিযুক্ত মুদ্রার দ্বারা পরীক্ষায় পতিত হয়েছে, তা সাথে রাখা একটি পুরনো বিষয়। এ বিষয়ে আলেমগণ আলোচনা করেছেন। এখানকার লোকেরা পূর্বে ফরাসী মুদ্রা বহন করত যাতে ঘোড়া ও অশ্বারোহীর ছবি ছিল এবং ফরাসী রিয়াল বহন করত যাতে মাথা, ঘাড় ও পাখির ছবি ছিল।
এ বিষয়ে আমরা যা মনে করি তা হলো, প্রয়োজনের কারণে তা সাথে রাখলে কোনো গুনাহ নেই; কারণ মানুষের পকেটে কিছু মুদ্রা রাখা প্রয়োজন। আর মানুষকে তা থেকে নিষেধ করলে অসুবিধা ও কঠোরতা সৃষ্টি হবে।
[ মাজমূ'উল ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ফাদ্বীলাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমীন ২/২৮০ ]
শায়েখ ইবনু উসাইমীন আরো বলেন :
فيما سبق الصورة تمثال بمعنى أنها ملموسة الريال الفرنسي فيه صورة ملك من ملوك أوربا فيه أيضا صورة طيور الجنيه الإفرنجي فيه أيضا صورة رئيس من رؤساء بريطانيا فيه أيضا صورة فرس ركبه خيال تلمس باليد فهي كالمجسمة لكن العلماء رحمهم الله لم ينهوا عن ذلك لأن هذا أمر ضروري لا يستطيع الناس أن يتخلصوا منه.
অতীতে ছবি মানে ছিল মূর্তি, অর্থাৎ যা স্পর্শ করা যেত। ফরাসী রিয়ালে ইউরোপের কোনো রাজার ছবি ছিল, তাতে পাখির ছবিও ছিল। ব্রিটিশ পাউন্ডে ব্রিটেনের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি ছিল, তাতে ঘোড়ার ছবিও ছিল যার উপর একজন আরোহী ছিল, যা হাত দিয়ে স্পর্শ করা যেত, তাই তা মূর্তির মতো ছিল। কিন্তু আলেমগণ তা থেকে নিষেধ করেননি, কারণ এটি একটি প্রয়োজনীয় বিষয় ছিল যা থেকে মানুষ বাঁচতে পারত না।
[ শারহু রিয়াদ্বিস সালিহীন, ইবনু উসাইমীন ৬/৪২৬ ]

