এর একটা সীমা থাকা দরকার!
যশোর নিউজ ডেস্ক | রবিবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫ | পিনাকী উপাচার্য
![]() |
| ছবি: নতুন দিগন্ত ফাইল ফুটেজ |
যশোর জেলার ক্রীড়া সংগঠনের অ্যাডহক কমিটির সদস্য হয়েছেন কাজী ইনাম আহমেদ। অভিযোগ উঠেছে— কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে তিনি এ পদে আসীন হয়েছেন।
তিনি বাটপাড়া লে. কর্নেল কাজী শাহেদ আহমেদের তৃতীয় পুত্র। পরিবারের সদস্যদের প্রভাব-প্রতিপত্তি ব্যবহার করে সরকারি-বেসরকারি খাতে একাধিক কোম্পানির মালিকানা এবং প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল কাজী শাহেদ আহমেদ আজিজন ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক এবং গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে গভীর সম্পর্কের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাজনীতিতে অপ্রত্যাশিত প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে।
কাজী শাহেদের জ্যেষ্ঠ পুত্র কাজী নাবিল আহমেদ, বর্তমানে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য, যিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হলেও অতীতে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দমননীতি, খুন, গুম ও লুটপাটে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় পুত্র কাজী আনিস আহমেদ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ULAB) নির্বাহী পদে রয়েছেন, যেখানে উচ্চ বেতনের বিনিময়ে তিনি ‘বি’ গ্রুপের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
তৃতীয় পুত্র কাজী ইনাম আহমেদ, বর্তমানে যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন, যা ঘুষ ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে অর্জিত বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুর্নীতি, অবৈধ প্রভাব খাটানো, ঘুষ প্রদান ও প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিতে পারিবারিক আধিপত্য— সব মিলিয়ে কাজী পরিবারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে।
জনগণের প্রশ্ন — “এর একটা সীমা থাকা দরকার।”
একটি পরিবার কতটা প্রভাব বিস্তার করবে, কোথায় থামবে — সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সচেতন মহল।

